Home / মিডিয়া নিউজ / অসম বয়সের সংসার সুখের না দু:খের?

অসম বয়সের সংসার সুখের না দু:খের?

হলিউড, বলিউড, ঢালিউড বা টালিউড বিশ্বের সকল চলচ্চিত্র পাড়ায় অসম বয়সের বিয়ে দেখা যায়

অহরহ। কথায় আছে, প্রেমের আবার বয়স কিসের? মানুষের মনের মেলবন্ধন হলেই যথেষ্ট। অনেকের

মনে প্রশ্ন জাগে, অসম বয়সের বিয়ে কতটুকু সুখ বয়ে আনে? নাকি বর্তমান ভালোবাসা ভবিষ্যতে হয়ে

ওঠে দু:সহ যন্ত্রণার কারণ। বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের এমন অনেক বিখ্যাত তারকা আছেন যাঁরা অসম বয়সের জীবন সঙ্গী বেছে নিয়েছেন। সেসব তারকাদের নিয়ে আজকের লাইফস্টাইল:

হুমায়ূন আহমেদ-শাওন

বাংলাদেশের অনন্যা কথা সাহিত্যিক এবং নাট্য ব্যক্তিত্ব হুমায়ূন আহমেদ ও শাওন বিবাহে আবদ্ধ হন ২০০৪ সালের ১২ ডিসেম্বর। শাওন ছিলেন হুমায়ূন আহমেদের মেয়ে শীলার বান্ধবী। পরবর্তীতে হুমায়ূন আহমেদ শাওনকে জীবন সঙ্গী করে নেন। হুমায়ূন ও শাওনের বয়সের ব্যবধান ছিলো ৩২ বছর। তাঁদের ঘরে ৩ সন্তান জন্ম নেয়। এই দম্পতির প্রথম মেয়ে সন্তান মারা যান। পরে তাঁদের ঘরে আসে দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিত। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শাওনের সঙ্গেই ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ।

হৃদয় খান-সুজানা জাফর

২০১৫ সালের ১ আগস্ট গায়ক হৃদয় খান মডেল সুজানাকে বিয়ে করেন। সুজানা হৃদয় খানের চেয়ে ২ বছরের বড় ছিলেন। এই দম্পতির বিয়ে বেশি দিন টেকে নি। ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। সেসময় সুজানা বলেছিলেন, ‘হৃদয় খান সংসার করার জন্য ম্যাচিউরড না। এক একটা মেয়েকে বিয়ে করেন, কিছু দিন পর আর ভালো লাগে না। নানা অজুহাতে ছেড়ে দেন। ‘

রায়হান খান-নোভা

২০১১ সালের ১১ নভেম্বর তারকা রায়হান খান ও নোভা বিয়ে করেন। গেলো বছরে ঢাকা জজকোর্ট কাজী অফিসে তালাকনামায় স্বাক্ষর করেন। সেসময় তারা উল্লেখ করেছিলো, বয়সের তফাৎ বিচ্ছেদের কারণ।

সুবর্ণা মুস্তফা-বদরুল আনাম সৌদ

১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদিকে বিয়ে করেছিলেন সুবর্ণা মুস্তাফা। কিন্তু ২৩ বছরের সংসার ভেঙ্গে, সুবর্ণা ফরীদিকে ছেড়ে সৌদের হাত ধরেন। ২০০৮ সালে দশ লাখ দেনমোহরে গোপনে সুবর্ণা নাট্যনির্মাতা সৌদকে বিয়ে করেন। মজার বিষয় হলো, সৌদ ও সুবর্ণার বয়সের বিস্তর পার্থক্য। সুবর্ণার দ্বিতীয় সংসার নিয়ে ফিসফাস হয় প্রায়ই, কখন কখনও শোনা যায়, সুবর্ণার অসম সংসার ভাঙ্গছে। কিন্তু বাইরের চোখ বলে তারা ভালো আছেন।

বাঁধন-মাশরুল লাক্স তারকা আজমেরি হক বাঁধন শাওনের পথ ধরেছিলেন। শাওন সুখী হলেও বাঁধন সুখ খুঁজে পাই নি। ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ভালোবেসে বিশিষ্ট ব্যবসায়ি মাশরুর সিদ্দিকী সনেটকে বিয়ে করেন বাঁধন। মাশরুর তার চেয়ে ২০ বছরের বড় ছিলেন। বাধঁনের ভাষায়, ‘আমার মা আমার চেয়ে ১৭ বছরের বড়। সনেট ছিলেন আমার মায়ের থেকেও বড়। স্রেফ সার্টিফিকেটেই আমার চেয়ে বিশ বছরের বড় সে। তবুও তাকে বিয়ে করেছিলাম ভালোবেসে। মনে করেছিলাম সে একজন সুখী সংসারী মানুষ হবেন। কিন্তু সেই ধারণা ভুল ছিলো। ‘ পরে অবশ্য তারা দু’জনেই দাবি করেন, অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে তারা আলাদা হয়েছেন। ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানকিভাবে বিচ্ছেদ হয় বাঁধন ও মাশরুর।

সালমা-শিবলী সাদিক

শিবলী সাদিক দিনাজপুরের পিকনিক স্পট স্বপ্নপূরীর স্বত্বাধিকারী এবং এমপি। ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি তিনি কণ্ঠশিল্পী সালমাকে বিয়ে করেন। জানা যায়, সালমার আঠারো বছর হবার আগেই শিবলী তাকে বিয়ে করেন। ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি এই দম্পতির প্রথম সন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। অর্থনৈতিক সংকট বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ দাবি করলেও তাদের বয়সের ব্যবধান দায়ি বলে মিডিয়ায় গুঞ্জন বের হয়।

শিবলীর ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছিলেন, সালমার চলাফেরায় শিবলীর ‘হস্তক্ষেপ’ বিচ্ছেদের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Check Also

বুবলীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না?

শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। এই জুটির বক্স …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *