Home / মিডিয়া নিউজ / জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন শবনম ফারিয়া

জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন শবনম ফারিয়া

একদিকে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন, অন্যদিকে ভালোবাসার রং- এই দুই মিলে প্রকৃতির প্রতিটি পরতে

পরতে আজ ছড়িয়ে পড়েছে এক মোহময় সুবাস, যার আবেশে প্রত্যেক মানুষের মনে বেজে উঠেছে

ভালোবাসার বারতা। উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্বব্যাপী দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রেমিক যুগলের কাছে

অন্যসব দিনের চেয়ে এই দিনের গুরুত্ব অনেক বেশি। দিনটি তাদের কাছে স্মরণীয়ও বলা যায়।এদিনের স্মৃতির কথা তুলে ধরেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। তিনি বলেন, এদিনের একটি স্মৃতির কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে।

ঘটনাটি ২০১৬ সালে। আমার বরের (হারুনুর রশীদ অপু) সঙ্গে পরিচয় হয় ২০১৫ সালের শেষ দিকে। আমাদের প্রথম ভালোবাসা দিবস ২০১৬ সালে। আগের দিন অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অনেক এক্সাইটেড ছিলাম। আগামীকাল কী করবো, কোথায় কোথায় ঘুরতে যাব, আরও কত কি।

এদিকে আমাদের প্রথম ভালোবাসা দিবস, আমাকে সারপ্রাইজ দিতে অপুও অনেক আয়োজন করে রেখেছিল। ভালোবাসা দিবসে আমরা একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করবো, এটুকুই আমার জানা ছিল। এরপর বাকি সব…। সে কথা ভেবে সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। বলে রাখি, আমার আবার ডায়াবেটিসের একটু সমস্যা আছে। সময় মতো খাওয়া-দাওয়া না করলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।

যাই হোক, ভালোবাসা দিবসে সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যায়। উঠেই নাস্তা করে সাজগোজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। নিজেকে তৈরি করতে গিয়ে দুপুরের খাওয়ার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। এরপর ওর সঙ্গে দেখার করার জন্য তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে পড়ি। ওইদিন রাস্তায় প্রচণ্ড জ্যামও ছিল। রেস্টুরেন্টে যেতে যেতে অসুস্থ হয়ে পড়ি। একটা সময় শরীর এত খারাপ লাগছিল যে, আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না।

রেস্টুরেন্টে গিয়ে দেখি, অপু ও তার বন্ধুরা আমার জন্য অপেক্ষা করছে। সাজানো আছে একটি কেকও। এসব দেখে নিজের মধ্যেও বেশ ভালো লাগা কাজ করছিল। কিন্তু শরীর সায় দিচ্ছিল না। সেই আয়োজনে উপস্থিত হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি সেন্সলেস হয়ে পড়ি। সবাই দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়। ওই দিনের সব আয়োজন মাটি হয়ে যায়। এর আগে, কখনোই ডায়াবেটিসের কারণে সেন্সলেস হইনি। ওইদিনই ছিল প্রথম।

এরপর কোনো মতে কেকটা কেটে আমাকে বাড়ি ফিরতে হয়। অপুর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর প্রথম ভালোবাসা দিবসের এই স্মৃতিটুকু আমার সারা জীবন মনে থাকবে। এখনো সেদিনের কথা ভেবে হাসি পায়।

অপুর সঙ্গে পরিচয়টা কীভাবে হলো? শবনম ফারিয়া বলেন, ‘২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে দুজনের বন্ধুত্ব হয়। ফেসবুকে আমাদের দুজনেরই অনেক কমন বন্ধু ছিল। অপু আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে আমি গ্রহণ করি। এরপর ফেসবুকে কথা বলতে বলতে আমাদের দুজনের ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়। তিন বছর ধরে আমাদের দুজনের বন্ধুত্ব। এক পর্যায়ে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়।

Check Also

নতুন ‘সংসার’ শুরু করলেন অপু বিশ্বাস!

বিনোদন ডেস্ক : এক দশকের ক্যারিয়ারে প্রায় ১০০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন ‘ঢালিউড কুইন’ খ্যাত চিত্রনায়িকা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *