Home / মিডিয়া নিউজ / ‘আশিক বানায়া আপনে’ বঙ্গ নায়িকা তনুশ্রী দত্ত এখন কি করে? জানলে অবাক হবেন

‘আশিক বানায়া আপনে’ বঙ্গ নায়িকা তনুশ্রী দত্ত এখন কি করে? জানলে অবাক হবেন

বাঙালি পরিবারে জন্ম, বড় হওয়া। যদিও বাড়ি ছিল বাংলার বাইরে। ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরে ছেলেবেলা

কেটেছিল তার। তিনি বলিউডের আলোচিত মুখ তনুশ্রী দত্ত। স্কুলের পাঠ চুকিয়ে তার কলেজের

পড়াশোনা শুরু হয় পুণেতে। কিন্তু মাঝপথেই কলেজ ছেড়ে ঢুকে পড়েন মডেলিং দুনিয়ায়।

২০০৩-এ ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া খেতাব জেতেন তনুশ্রী। ২০০৪-এ মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রথম ১০ জনের মধ্যেও ছিলেন। এরপর ২০০৫-এ ইমরান হাশমির সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘আশিক বনায়া আপনে’ দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু। সুপার হিট হয়েছিল সেই ছবি।

শুধু মডেলিং বা অভিনয়ই নয়, নাচ-গান দু’টিতেই পারদর্শী তনুশ্রী ‘আশিক বনায়া আপনে’র পরও বেশকিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন। কিন্তু বলিউডে নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। এরপর অনেকটাই হারিয়ে যান। মিডিয়ার সামনেও তেমন একটা আসেননি।

কিন্তু কোথায় থাকছেন, কি করছেন তনুশ্রী সেটা অজানাই রয়ে যায়। অবশ্য খোঁজ মিলেছে এ অভিনেত্রীর। তিনি বর্তমানে নিউ ইয়র্কে থাকছেন। মিডিয়াকে চিরতরেই বিদায় জানিয়েছেন। আর তারই ধারাবাহিকতায় নিজের পরিবারের সঙ্গে একেবারেই সাধাসিধে জীবনযাপন করছেন এ অভনেত্রী।

মিনিস্কার্ট পরা তনুশ্রী এখন সব সময়ই শাড়ি পরেন। তবে বিয়ে করেননি তিনি। একটা সময় বলিউড অভিনেতা গোবিন্দর ভাতিজা ও কমেডিয়ান কৃষ্ণা অভিষেকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তার। তবে সেটা টিকেনি। এদিকে পরিবারের সঙ্গে থাকলেও বিয়ে আপাতত করবেন না বলে জানিয়েছেন তনুশ্রী। বলিউডেও আর ফিরবেন না বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

পরিবারের সঙ্গে শাড়ি পরা বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে সেখানে তিনি লিখেছেন, এ রকম সাধাসিধে জীবন নিয়ে অনেক ভালো আছি। কোনো ঝামেলা নেই। বেশ শান্তিতে আছি পরিবার নিয়ে।

ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের সাধারন মেয়ের মতোই জীবন কাটান এখন। সময় কাটাতে ভালবাসেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নানা আশ্রমে।

trade bangla

Check Also

নতুন ‘সংসার’ শুরু করলেন অপু বিশ্বাস!

বিনোদন ডেস্ক : এক দশকের ক্যারিয়ারে প্রায় ১০০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন ‘ঢালিউড কুইন’ খ্যাত চিত্রনায়িকা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *