Home / মিডিয়া নিউজ / এফডিসিতে ব্যবসায় লালবাতি

এফডিসিতে ব্যবসায় লালবাতি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের সোনালি দিন আর নেই। চলচ্চিত্রের শুটিং না হলেও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঝে মাঝে জমজমাট থাকে এফডিসি। তবে বর্তমানে এফডিসি প্রায় জনশূন্য।

কারণ শুটিং না থাকার পাশাপাশি এফডিসির মূল ফটক সরিয়ে কারওয়ান বাজার রেললাইন সংলগ্ন করা হয়েছে।

ফলে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ এফডিসির পথ মারাচ্ছেন না। ফলে এফডিসির ক্যান্টিনের ব্যবসায় লালবাতি জ্বলছে বলে জানা গেছে।

এফডিসির খাবারের সুনাম রয়েছে। শুটিং চলাকালে শিল্পীরা এখানেই খাবার খান। এক সময় এফডিসির ক্যান্টিনে খাবারের অর্ডার করে বসে থাকতে হতো সিরিয়াল নিয়ে। সেই ক্যান্টিনে গিয়ে দেখা গেল দুর্দশার আরেক চিত্র। বসার মতো এখন কোনো ব্যবস্থা নেই। ক্যান্টিনের সব চেয়ার-টেবিল সরিয়ে রাখা হয়েছে। দুপুরে খাবারেরও ব্যবস্থা নেই। দুই বছর ধরে ক্ষতি মেনে নিয়েই ক্যান্টিন চালাচ্ছেন নৃত্য পরিচালক এ কে আজাদ।

এ কে আজাদ জানালেন নানা অসুবিধার কথা। ‘করোনার মধ্যে অনেক লস করেছি। ভেবেছিলাম করোনার পর হয়তো কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে পারব। কিন্তু অবস্থা স্বাভাবিক হতে না হতেই মূল ফটক স্থানান্তর করা হলো। এখন কেউ এক-দেড় কিলোমিটার ঘুরে নতুন ফটক দিয়ে এফডিসিতে আসতে চান না। আজ যদি আমি এফডিসির সব লোক গণনা করি, ৫০ জনও পাব না। এফডিসির যারা স্টাফ, তারা খাবার নিয়ে আসেন বাসা থেকে। চায়ের ব্যবস্থাও অফিসে আছে। তাহলে আমার ক্যান্টিন চলবে কীভাবে?’

বর্তমানে এফডিসিতে শিল্পীদের পদচারণা নেই। চলচ্চিত্রের শুটিং হয় কালেভদ্রে। এখন বিএফডিসির ঝরনা স্পটে গানের দশ্য, সুইমিং পুলে সাঁতার আর কড়াই তলায় মারামারির দৃশ্য দেখা যায় না। এসব স্থান এখন যেন ময়লার ভাগাড়। শোনা যায় না দরাজ কণ্ঠের সংলাপ। সাড়া-শব্দহীন বিএফডিসি প্রাণহীন।

Check Also

অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে চান মাহি

ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। একাধিক ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। গতকাল (সোমবার) …

Leave a Reply

Your email address will not be published.