Home / মিডিয়া নিউজ / প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে শুটিং করলেন বাপ্পী-মিতু

প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে শুটিং করলেন বাপ্পী-মিতু

ঢাকাই সিনেমার নতুন প্রজন্মের আলোচিত জুটি বাপ্পী চৌধুরী ও জাহারা মিতু। ‘যন্ত্রণা’ দিয়ে একসঙ্গে

সিনেমায় অভিনয় শুরু করেন দুজন। এরপর করেন ‘জয় বাংলা’। দুটি সিনেমাই রয়েছে মুক্তির

মিছিলে। তবে তার আগেই নিজেদের হ্যাটট্রিক সিনেমা ‘কুস্তিগির’-এর শুটিং করছেন তারা।

সম্প্রতি নেত্রকোনার বিরিশিরিতে ‘কুস্তিগির’ সিনেমার একটি গানের শুটিং করেন দুই বাপ্পী-মিতু। যার শিরোনাম ‘মায়ায় বান্ধো’। প্রাণের ঝুঁকি দিয়েই দুই দিন ‍দুই রাত ধরে গানটির চিত্রায়ণে অংশ নিয়েছেন তারা। কারণ গানটির শুটিং হয়েছে নেত্রকোনার বিরিশিরিতে অবস্থিত সাদা মাটির পাহাড়ের একটি বড় খাদের মধ্যে। যেটির গভীরতা ৩০০ ফুটের বেশি। যা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

আর ঝুঁকি নিয়েই নৌকায় বসে গানটির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এই দুই নায়ক-নায়িকা।জাহার মিতু বলেন, ‘আমরা যে খাদটিতে শুটিং করেছি সেটি অত্যন্ত বিপদজনক। কয়েকদিন আগেই এখানে এসে দুজন মারা যান। তাই অত্যন্ত চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমাদের কাজটি করতে হয়েছে। তাছাড়া প্রচন্ড শীতও ছিল। তারপরও গানটিকে পর্দায় যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজটি করেছি।’

মিতু আরও জানান, শুটিংয়ে ব্যবহৃত নৌকায় আলাদা পাটাতন ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে নৌকার ভারসাম্য রক্ষা করা আরও কঠিন হয়ে গিয়েছিল। ১৫০ জন সাঁতার জানা স্থানীয় ছেলে, ৪ জন প্রফেশনাল ডুবুবি, বড় বড় প্রায় ৫০টি ড্রাম, দড়ি এবং বড়নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছিল দুর্ঘটনা এড়াতে। এ সময় তাদের সঙ্গে লাইফ জ্যাকেটও রাখা হয়। কারণ শট দিতে গিয়ে কোনো কারণে পড়ে গেলেই সর্বনাশ হতে পারত।

জানা গেছে, এরইমধ্যে সিনেমাটির ৭০ ভাগ শুটিং হয়ে গেছে। আরও ১০ দিনের শুটিং বাকি। যেখানে থাকবে মূলত ‘কুস্তিগিরি’র দৃশ্য। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে এই লটের শুটিং হবে কুমিল্লায়।উল্লেখ্য, ‘কুস্তিগির’ পরিচালনা করছেন শাহীন সুমন। গ্রামীণ পটভূমির গল্প নিয়ে সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে। সেখানে গ্রামের খুবই চঞ্চল একটা মেয়ের চরিত্রে দেখা যাবে মিতুকে। আর প্রধান চরিত্রে আছেন বাপ্পী চৌধুরী।

Check Also

বুবলীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না?

শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। এই জুটির বক্স …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *