Home / মিডিয়া নিউজ / মন খারাপ জয়া আহসানের, বললেন কপাল চাপড়েও আর উদ্ধার পাব না

মন খারাপ জয়া আহসানের, বললেন কপাল চাপড়েও আর উদ্ধার পাব না

বাংলা সিনেমার ব্যাপক সাড়া জাগানো অভিনেত্রী জয়া আহসান। যিনি টলিউড সিনেমায় অভিনয়

করেও ভক্তদের মাঝে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি সবসময় প্রাণীদের

প্রতি একটু আলাদা ভালোবাসা কাজ করে এই অভিনেত্রীর। প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারেন না তিনি।

জানা যায়, সম্প্র‍তি কক্সবাজারের চকরিয়ায় একটি বন্যহাতিকে খুব কাছ থেকে গুলি করে প্রাণহানি করা হয়। হাতিটির বয়স আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ বছর। কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের পূর্ণগ্রাম বনবিটের অধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা হাতিটির সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন করেন। আর এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

পাঠকদের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘হাতির এমন অপূর্ব একটি সৌন্দর্য আছে, যা অন্য আর কোনো প্রাণীর মধ্যে নেই। আর কী রকম নিমেষেই যে হাতি আমাদের ছেলেমানুষীতে ভরা নিটোল শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে! খবর পেলাম, অনিন্দ্যসুন্দর তেমন একটি হাতিকে নাকি গুলি করে মারা হয়েছে চকরিয়ায়। দেশে হাতি মারার খবর প্রায় নিয়মিতই পাচ্ছি।

বনবিভাগ আর আইইউসিএনের একটি হিসেবে দেখা গেছে, বাংলাদেশের বনে মাত্র ২৬৮টি এশীয় হাতি বাস করছে। তাদের এক তৃতীয়াংশ বাস করে পার্বত্য চট্টগ্রাম আর কক্সবাজারে। খুব মনের আনন্দে নয়। কারণ, বন উজাড় করে তাদের স্বাভাবিক চলাফেরার পথগুলো দখল করে নিচ্ছে মানুষেরা। ফলে তারা যখন নিজেদের পথে চলতে-ফিরতে আসছে, দখলদার মানুষেরাই উল্টো তাদের গুলি করে মারছে।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ২০টি হাতি মারার খবর পাওয়া গেছে। আজকে আরেকটি। গত ছয় দিনে চারটি হাতি মারা হলো, বাংলাদেশ হাতির জন্য হয়ে উঠছে এক নির্মম গোরস্থান।

হাতি মহাবিপন্ন তালিকায় থাকা একটি প্রাণী। আমাদের অনন্য সৌভাগ্য যে বাংলাদেশ হাতির একটি সুন্দর বিচরণক্ষেত্র। তারা আমাদের ঐশ্বর্য। আগামী পৃথিবীর জন্য কি আমরা তাদের রক্ষা করব না?

আমি দাবি করি, আলাদা করে একটি বন্যপ্রাণী অধিদপ্তর বা বিভাগ খোলা হোক। নইলে অচিরেই আমাদের জীববৈচিত্র্য শূন্যের কোঠায় দৌড়ে নামতে শুরু করবে। কপাল চাপড়েও আর উদ্ধার পাব না।

আর সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের মনে একটু মমতা জন্মাক। আমরা জীবে দয়া করি। ‘জীবে দয়া করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।’

২০০৪ সালে ‘ব্যাচেলর’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন জয়া আহসান। তবে পরবর্তীতে ‘গেরিলা’ সিনেমার মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্য রয়েছে- ‘চোরাবালি’, ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী’, ‘জিরো ডিগ্রী’, ‘রাজকাহিনী’, ইত্যাদি।

Check Also

বুবলীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না?

শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। এই জুটির বক্স …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *